এম.এ আজিজ রাসেল:
কক্সবাজার ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত ঈদ জামাতে ফিলিস্তিনের মজলুম জনতার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ধ্বংস কামনা করা হয়েছে দখলবাজ, সন্ত্রাসী ইসরাইলের।
সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল ৮ টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় মডেল জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মাহমুদুল হক। একই স্থানে দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সোলাইমান কাসেমী।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যতা ও উৎসবমূখর পরিবেশে জেলায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
নামাজের আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। এসময় কক্সবাজার-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা জজ মুনসী আবদুল মজিদ, পুলিশ সুপার মো. সাইফউদ্দীন শাহীন, সাবেক পৌর মেয়র সরওয়ার কামাল। এবার প্রায় ১৫ হাজার মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করে।
নামাজ শেষে দেশ এবং জাতির কল্যাণ ও নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ছোট-বড় সকলে কোলাকুলিতে মেতে উঠে। এসময় সবার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় ঈদ মোবারক….ঈদ মোবারক।
শহরের বদর মোকাম, বাহারছড়া ও বড় বাজার জামে মসজিদে সকাল সাড়ে আটটায় এবং টেকপাড়া ও বায়তুশ শরফ জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল পৌনে নটায়।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হাসপাতাল, সরকারি শিশু পরিবার ও জেলখানায় উন্নত মানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
হিৎসা বিদ্বেষ ভুলে ঈদ নিয়ে এসেছে খুশির বারতা। বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সৈকতসহ পর্যটন স্পটগুলোতে বিপুল দর্শনার্থী এবং পর্যটকের সমাগম ঘটে।